আমলাসিড সিরাপ এর অপকারিতা কি? - Answer-BN

আমলাসিড সিরাপ এর অপকারিতা কি?

1,174 বার প্রদর্শিত
"সাধারণ জ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (2,444 পয়েন্ট)
Like

1 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
 
সর্বোত্তম উত্তর

আমলাসিড সিরাপ এর অপকারিতা : আমলাসিড সিরাপ এর মাত্নক অপকারিতা রয়েছেে নিন্মে  তা বর্ণনা করা হলো:



১. কিডনি সমস্যা : রুচিবর্ধক আমলাসিড এর মত সিরাপ খেলা মুখে মারাত্মক রুচিবৃদ্ধি হয় যার ফলে খাবার রুচি বৃদ্ধি পায়, তখন মানুষ মারাত্মক ভাবে যা সামনে পায় তাই খায় তখন একজন মানুষের শরিলে পানি জমে মুখ ফুলে যায় কিডনিতে পানি জমে এবং শরিলের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনিতে জঠিল সমস্যা দেয়া দেয়।  তখন কিডনিজনিত বড় ধরনের সমস্যা হয় বা কিডনি চিরতরে নষ্ট হয়ে যায় তাই আমি বলব শুধু আমলাসিড সিরাপ নয় রুচিবর্ধক সকল ঔষধ ত্যাগ করুন। রুচিগত বা স্বাস্থ্যগত কোন সমস্যা হলে ডাক্তারের পরামর্শ মতে ঔষধ সেবন করুন। নিজে নিজে ঔষধ সেবন করবেন না।



২.মস্তিষ্ক চিরদিনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত: এই ধরনের ঔষধ সেবনের ফলে মস্তিষ্ক, ব্রেইনে মারাত্মক প্রভাব পরে বিষাক্ত কিছু রসায়নিক পদার্থের কারণে, এই ধরনের বিষাক্ত পদার্থ এই ঔষধে মেশানো থাকে তাই এই ঔষধ সেবনের ফলে সরাসরি আপনার ব্রেইনে আঘাত আনতে পারে এবং আপনার স্টোক হতে পারে আপনি আপনার স্মৃতি শক্তি হারাতে পারেন। তাই আপনি এই ধরনের ঔষধ সেবন করা থেকে বিরত থাকুন। নিজেকে বাচাঁন নিজের মস্তিষ্ক বাচাঁন! 



৩. লিভার ডেমেজ : এই ধরনের রুচিবর্ধক সিরাপ সেবনের ফলে যখন খাবার রুচি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায় তখন অধিক খেতে ইচ্ছে করে মানে সামনে যা পাবে তাই তার খেতে ইচ্ছে করবে, যারা একবার রুচিবর্ধক ঔষধ সেবন করেছেন তারাই একমাত্র এটা জানেন যে এই ধরনের ঔষধ সেবনে কি পরিমাণ খিদে লাগতে পারে। যখন সিরাপ সেবনের ফলে অতিরিক্ত খিদে লাগে বার বার খাওা হয় বেশি করে তখন লিভারের উপর অতিরিক্ত একটা চাপ পরে তখন লিভারে পানি জমাসহ লিভার চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে। তাই দয়াকরে লিভার বাচাঁন নিজেকে বাচাঁন এই ধরনের সকল সিরাপ, ঔষধ এখন ত্যাগ করুন।


৪. হার্ট নষ্ট: এই ধরনের সিরাপে মারাত্মক ভেজাল, সরকারি অনুমোদক বিহীন বা ঔষধ প্রকাশক অধিদপ্তর অনুমোদন বিহিন অবৈধ কেমিক্যাল মেশানোর কারণে এই ঔষধ সেবন করার ফলে হার্টে সরাসরি এটার্ক করে যার ফলে হার্ট এটার্ক বা মিত্যুঝুকি রয়েছে এই ঔষধে , তাই দয়াকরে এটি ত্যাগ করুন। আপনার জীবন বাচাঁন। 


৫. উচ্চরক্তচাপ: এই ধরনের ঔষধ সেবন করার ফলে উচ্চরক্তচাপ হয় কেননা এই ধরনের ঔষধে রয়েছে এক ধরনের রসায়নিক যা সেবনের ফলে রক্তের গতি বৃদ্ধি পায় রক্তের কলোস্টরল বৃদ্ধি পায় ফলে উচ্চরক্তচাপ হয়ে এই ঔষধ আপনার মিত্যেু ঘটাতে পারে তাই আজকেই, এখনিই এই ঔষধ ত্যাগ করুন।


৬. রক্ত নষ্ট : এই ধরনের অনুমোদন বিহীন ঔষধ সেবন করলে আপনার সমস্ত শরিরের রক্ত পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কারণ বিষক্রিয়া জাতীয় রসায়নিক পদার্থ রয়েছে এই ধরনের ঔষধে। তাই রক্ত বাচাঁন জীবন বাচাঁন এই ঔষধ আজকেই ত্যাগ করুন।


এলার্জিজনিত সমস্যা: এই ঔষধের মারাত্মক পার্শপ্রতিক্রিয়ার ফলে শরিরে এলার্জি দেখা দিতে পারে যা আপনার জীবনের বড় ধরনের একটি বিঘ্নতা ঘটাতে পারে। 


৭. চর্মরোগ : এই ধরনের ঔষধ সেবন করলে আপনার চর্মরোগ হতে পারে। এক ধরনের জঠিল, কঠিন চর্মরোগ আপনার শরির সবসময় চুলকাবে গোপনাঙ্গ এবং শরিরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে দির্ঘ মেয়াদী চর্মরোগ হতে পারে। এটাই এই ঔষধের মারাত্মক আরেকটি পার্শপ্রতিক্রিয়া। 


৮. ফাঙ্গাল ইনফেকশন: এই ধরনের ঔষধ সেবন করার ফলে অনেকসময় ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতে পারে যার ফলে আপনার শরিলে ঘা বা ঘামাচি জাতীয় ফুরা হতে পারে। যার জন্য আপনাকে দির্ঘমেয়াদী ভুগতে হতে পারে। তাই দাতঁ থাকতে দাতের মর্ম বুঝুন এই ধরনের ঔষধ ত্যাগ করুন নিজেকে বাচাঁন। 


৯. অরুচি : এই ধরনের সিরাপ বা ঔষধ আপনি যতদিন সেবন করবেন ততদিন আপনার রুচি বৃদ্ধি থাকবে। প্রচুর পরিমাণে রুচি থাকবে আপনার মুখে এবং প্রচুর পরিমানে আপনার বার বার খেতে ইচ্ছে করবে আর যখনিই ঔষধ/ সিরাপ খাওয়া ত্যাগ করবেন তখনিই আপনার মুখের রুচি কমতে থাকবে এরকম কমা দিবে যে আপনার আগের স্বাভাবিক রুচিও থাকবে না। আপনার তখন কিছুই খেতে ইচ্ছে হবে না, আপনার সবসময় পেট ফুলা ফুলা লাগবে কেমন যেন ডেখুর আসবে আপনি কোনো কিছুই খেতে পারবেন না। তাই আপনি এই সিরাপ আজকেই সেবন করা বাদ দিন।


১০. স্বাস্থ্যহিনতা: আপনি হয়ত মনে করতেছে এই সিরাপ খেয়ে আপনি আপনার স্বাস্থ্য বৃদ্ধি করবেন কিন্তু বিষয়টি মোটেও ঠিক হচ্ছে না কেননা এই সিরাপ আপনার স্বাস্থ্য সাময়িক ভাবে যতটা মোটা করবে তার চেয়ে আরো কয়েকগুণ স্বাস্থ্য পরবর্তিতে আপনার কাছ থেকে কেরে নিবে। এমনকি আপনার অবস্থা একদম খারাপ করে ছাড়বে। তাই এসব ধান্দা বাদ দিন। পুষ্টিকর খাবার খেয়ে মোটা হবার চেষ্টা করুন। তবুও সমস্যা হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন তবুও এসব ঔষধ কে না বলুন।


১১. হরমোন জনিতসমস্যা : রুচিবর্ধক যে কোনো সিরাপ বা ঔষধেই আপনি খাননা কেন এতে আপনার উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হবে। কেননা এই ধরনের ঔষধ সরকারি অনুমোদন বিহীন যদিও সরকার অনুমোদন করে তবে তারা সঠিক পথে থাকে না। তারা যে কাঁচামাল বা ঔষধ উৎপাদন বস্তু দেখিয়ে অনুমোদন আনে তারা তা আর ব্যবহার করে না বরং তারা অবৈধ, বিষাক্ত, অনুমোদন বিহীন রসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে যা সেবনের ফলে একজন সুস্থ মানুষের হরমোনের সমস্যা হতে পারে এবং শরিলের বিভিন্ন অঙ্গে জঠিল সমস্যা হতে পারে। তাই এ সকল ঔষধ খাওয়া বাদ দিন।


১২.যৌনহীনতা: এই ধরনের ঔষধ সেবনের ফলে পার্শপ্রতিক্রিয়া হিসাবে আপনার যৌনশক্তি চিরতরে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এই ধরনের ঔষধের পার্শপ্রতিক্রিয়া খুবিই মারাত্মক। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ক্রমেই এই ধরনের ঔষধ সেবন করা উচিত নয়।


১৩. ঘুমের সমস্যা: প্রিয় বিজিটর এই ঔষধ, সিরাপ সেবনে শুধুমাত্র শরিলের বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতিই করে না বরং এটি মনও করতে পারে আপনার চোখের ঘুমের মত একটি বড় নেয়ামত চিরতরে কেড়ে নিয়ে যেতে পারে, অনেকে এই ঔষধ সেবনের ফলে তাদের চোখের ঘুম নষ্ট হয়ে গিয়েছে ফলে তাদের চেহারা ভেঙ্গে গেছে স্মৃতিশক্তি লোপ পেয়েছে। এবং তাদের হরমোন গত বিভিন্ন জঠিল ও কঠিন সমস্যা হয়েছে। তাই আপনাকে অনুরোধ করে বলব আর কখন বা কোনদিন এই ধরনের বিষাক্ত ঔষধ সেবন করবেন না। 


১৪.শরিরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ: এই ধরনের ঔষধের পার্শপ্রতিক্রিয়ার ফলে অনেক সময় শরিরে আর কোনো ধরনের ঔষধে কাজ করে না। সবসময় কোনো না কোনো সুখ-বিসুখ লেগেই থাকে ফলে শরির দুর্বল থাকে। কোনো কিছু করতে ইচ্ছে করে না, কোনো কিছু খেতে ইচ্ছে করে না। চুটখাটো অসুখ ও সবসময় শরিরে লেগেই থাকে। তাই শরিরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখতে হলে রুচিবর্ধক সকল ঔষধ ত্যাগ করুন এখনিই।


১৫. পেট বড় হয়ে যাওয়া: এ ঔষধের আরেকটি মারাত্মক পার্শপ্রতিক্রিয়া হলো এটি সেবন করলে পেট বড় হয়ে যায়। ফলে কোনো ভাবেই আর পেটের সাইট কমানো যায় না এত সহজে। যেননা এই ঔষধটি সেবন করার ফলে অতিরিক্ত ঘন ঘন খাওয়া পরে ফলে বার বার খাওয়ার ফলে পেট বেড়ে যায় বিভিন্ন অসুবিধা হয় চলাফিরা করতে।


১৬. পাকস্থালিতে সমস্যা : এই ঔষধ সেবন করে মুখের রুচি বৃদ্ধি পায় তখন অতিরিক্ত খেতো ইচ্ছে করে যেমন সমস্ত পেট ভরে গেলেও আবার খেতে ইচ্ছে হয়। তখন রুগি বার বার খায় আর আমাদের পাকস্থলিরত একটা সাধারণ লিমিট আছে কিন্তু যখন আমরা বেশি খাই তখন এই লিমিট ক্রস করে ফেলে ফলে আমাদের পাকস্থলিতে প্রচুর চাপ পরে এবং বিভিন্ন সমস্যা হয় পাকস্থলতে। 


সর্বশেষ : আপনি একজন সচেতন মানুষ হিসাবে কখনই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এই ধরনের ঔষধ সেবন করবেন না, কেননা এর পার্শপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে এখন আপনি জানেন। যদিও আপনার কোনো স্বাস্থ্যগত বা যে কোনো সমস্যা হয় তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তারপর ঔষধ সেবন করুন।

এরকম আরো উত্তর পেতে বিজিত করুন http://ansfresh.com/


উত্তর প্রদান করেছেন (2,444 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
0 0
ঠিক বলেছেন ভাইয়া, আমাদের এলাকার একজন মোটা হবার সিরাপ খেয়ে এখন দির্ঘদিন ধরে অসুস্থ। 
0 0

এরকম আরো উত্তর পেতে বিজিত করুন http://ansfresh.com/

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
04 জুলাই 2021 "সাধারণ জ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Dreamer (2,444 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
04 জুলাই 2021 "সাধারণ জ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Dreamer (2,444 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
04 জুলাই 2021 "সাধারণ জ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Dreamer (2,444 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
11 জুলাই 2021 "সাধারণ জ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Dreamer (2,444 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
11 জুলাই 2021 "সাধারণ জ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Dreamer (2,444 পয়েন্ট)

11,134 টি প্রশ্ন

13,126 টি উত্তর

73 টি মন্তব্য

187 জন সদস্য

6 Online Users
0 Member 6 Guest
Today Visits : 1523
Yesterday Visits : 8657
Total Visits : 2911836
...